ডেস্ক রিপোর্ট: যুদ্ধ নাকি শান্তি? মধ্যপ্রাচ্যের ভাগ্য কি নির্ধারিত হতে যাচ্ছে আগামী ৭ দিনেই? যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৪ দফার প্রস্তাব এখন তেহরানের টেবিলে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি—হয় চুক্তি, না হয় ভয়াবহ বোমাবর্ষণ।
হোয়াইট হাউসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান নিজেই এখন চুক্তিতে আগ্রহী। ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, সব ঠিক থাকলে এক সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত সমঝোতা সম্ভব। তবে একই সাথে নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি কড়া হুমকি দিয়ে রেখেছেন—চুক্তি না হলে ইরানের ওপর চালানো হবে নজিরবিহীন হামলা।
ইরান বলছে, প্রস্তাবটি তারা খতিয়ে দেখছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের মাধ্যমে তারা জবাব পাঠাবে। তবে ইরানের পার্লামেন্ট এই প্রস্তাবকে ‘একতরফা দাবি’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, তারা শান্তি চান, কিন্তু অধিকার রক্ষায় কোনো আপস করবেন না। আমেরিকার ‘পেছন থেকে ছুরি মারার’ স্বভাব নিয়েও ক্ষোভ জানান তিনি।
কী আছে এই আলোচিত সমঝোতা স্মারকে (MOU)?
পারমাণবিক বিরতি: ইরানকে ১২ থেকে ১৫ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখতে হবে।
পরিদর্শন: জাতিসংঘ যেকোনো সময় ইরানের যেকোনো স্থাপনা তল্লাশি করতে পারবে।
পুরস্কার: বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে সব নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে এবং বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার অর্থ ছাড় পাবে তেহরান।
হোয়াইট হাউস মনে করছে ইরানের নেতৃত্ব এখন বিভক্ত। একদিকে মার্কো রুবিওর মতো কট্টরপন্থীদের সংশয়, অন্যদিকে ট্রাম্পের এক সপ্তাহের সময়সীমা। বিশ্ব এখন তাকিয়ে তেহরানের দিকে। সাত দিন পর কি মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পতাকা উড়বে, নাকি শুরু হবে নতুন কোনো মহাপ্রলয়?
প্রিন্ট করুন




















Discussion about this post