মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
২০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২০শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি   🕒
➔ English
No Result
View All Result
USBENGAL
  • হোম
  • খবর
  • প্রতিবেদন
  • আমেরিকা
  • ইউরোপ
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • এশিয়া
  • আফ্রিকা
  • লাইফস্টাইল
    পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হলেই কি অস্ত্রোপচার দরকার

    পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হলেই কি অস্ত্রোপচার দরকার

    কেন বেশিরভাগ মানুষ ডান হাত ব্যবহার করে?

    কেন বেশিরভাগ মানুষ ডান হাত ব্যবহার করে?

    আতঙ্ক ও তীব্র উৎকণ্ঠা দূর করবে ১০ সেকেন্ডের ‘আইস-ওয়াটার ট্রিক’

    আতঙ্ক ও তীব্র উৎকণ্ঠা দূর করবে ১০ সেকেন্ডের ‘আইস-ওয়াটার ট্রিক’

    হিটস্ট্রোক এড়াতে খেতে পারেন যেসব খাবার ও পানীয়

    হিটস্ট্রোক এড়াতে খেতে পারেন যেসব খাবার ও পানীয়

    এসিতে অস্বাভাবিক শব্দ ও গন্ধ? হতে পারে বড় বিপদের সংকেত

    এসিতে অস্বাভাবিক শব্দ ও গন্ধ? হতে পারে বড় বিপদের সংকেত

    হাম হলে কী করবেন

    হাম হলে কী করবেন

    ওষুধ ছাড়াই ৩ উপায়ে কমবে ফ্যাটি লিভার

    ওষুধ ছাড়াই ৩ উপায়ে কমবে ফ্যাটি লিভার

    শীতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে করতে পারেন এসব ব্যায়াম

    শীতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে করতে পারেন এসব ব্যায়াম

    ওজন নিয়ন্ত্রণে আসার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

    ওজন নিয়ন্ত্রণে আসার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

  • ভিডিও
  • ➘
    • খেলা
    • বিনোদন
    • অন্যান্য
  • সাক্ষাৎকার
  • হোম
  • খবর
  • প্রতিবেদন
  • আমেরিকা
  • ইউরোপ
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • এশিয়া
  • আফ্রিকা
  • লাইফস্টাইল
    পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হলেই কি অস্ত্রোপচার দরকার

    পিত্তথলি বা গলব্লাডারে পাথর হলেই কি অস্ত্রোপচার দরকার

    কেন বেশিরভাগ মানুষ ডান হাত ব্যবহার করে?

    কেন বেশিরভাগ মানুষ ডান হাত ব্যবহার করে?

    আতঙ্ক ও তীব্র উৎকণ্ঠা দূর করবে ১০ সেকেন্ডের ‘আইস-ওয়াটার ট্রিক’

    আতঙ্ক ও তীব্র উৎকণ্ঠা দূর করবে ১০ সেকেন্ডের ‘আইস-ওয়াটার ট্রিক’

    হিটস্ট্রোক এড়াতে খেতে পারেন যেসব খাবার ও পানীয়

    হিটস্ট্রোক এড়াতে খেতে পারেন যেসব খাবার ও পানীয়

    এসিতে অস্বাভাবিক শব্দ ও গন্ধ? হতে পারে বড় বিপদের সংকেত

    এসিতে অস্বাভাবিক শব্দ ও গন্ধ? হতে পারে বড় বিপদের সংকেত

    হাম হলে কী করবেন

    হাম হলে কী করবেন

    ওষুধ ছাড়াই ৩ উপায়ে কমবে ফ্যাটি লিভার

    ওষুধ ছাড়াই ৩ উপায়ে কমবে ফ্যাটি লিভার

    শীতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে করতে পারেন এসব ব্যায়াম

    শীতে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বাড়াতে করতে পারেন এসব ব্যায়াম

    ওজন নিয়ন্ত্রণে আসার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

    ওজন নিয়ন্ত্রণে আসার ১০টি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ

  • ভিডিও
  • ➘
    • খেলা
    • বিনোদন
    • অন্যান্য
  • সাক্ষাৎকার
No Result
View All Result
USBENGAL
No Result
View All Result
  • হোম
  • খবর
  • প্রতিবেদন
  • আমেরিকা
  • ইউরোপ
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • এশিয়া
  • আফ্রিকা
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
  • ➘
  • সাক্ষাৎকার

ইরানের দেখানো কৌশলেই হরমুজ থেকে গোপনে তেল নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

Nayeema Islam Nayeema Islam
মঙ্গলবার, ১৬ জুন, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
বিভাগ - আমেরিকা
A A
0
ইরানের দেখানো কৌশলেই হরমুজ থেকে গোপনে তেল নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরানের দেখানো কৌশলেই হরমুজ থেকে গোপনে তেল নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

0
SHARES
5
VIEWS
Share on FacebookShare on WhatsAppShare on Twitter

ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে জ্বালানি রপ্তানি সচল রাখতে গোপনে বহু ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তর কার্যক্রম তদারকি করেছে। এই অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে আকাশ ও জলপথের ড্রোন, এমনকি হেলিকপ্টারও। এসবের মাধ্যমে তেলের বহরকে হরমুজ প্রণালির বাইরে অপেক্ষমাণ ট্যাংকারগুলোর দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

হরমুজ প্রণালির প্রান্তঘেঁষা এই কার্যক্রমে এমন একটি ‘শাটলিং’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে, যা দীর্ঘদিন ধরে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে ইরান ব্যবহার করে আসছে। এই তেল স্থানান্তরের দুটি নির্দিষ্ট স্থান শনাক্ত করেছেন অভিযানের বিষয়ে অবগত ১১ জন ব্যক্তি। একটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজেইরাহ উপকূলের কাছে, অন্যটি ওমানের সোহার বন্দরের বাইরে। রয়টার্সের পর্যালোচনা করা জাহাজ চলাচলের তথ্য ও স্যাটেলাইট চিত্র অনুযায়ী, এই কার্যক্রম শুরু হয় মে মাসের শুরুতে এবং এতে অন্তত ৯২টি জাহাজ অংশ নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন ) পর্যন্ত দুই স্থানে একই সময়ে ১৭ জোড়া জাহাজকে তেল স্থানান্তর করতে দেখা গেছে বলে রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে জানিয়েছে।

৯ জুন ইরানের গুলিতে ভূপাতিত হয় একটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার, যার জেরে পরে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা বোমা হামলা চালায়। সেটিও মূলত এই মিশনেরই অংশ ছিল বলে চারটি সূত্র জানিয়েছে। তাদের মধ্যে হামলার বিষয়ে অবগত এক সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাও ছিলেন। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে রয়টার্স দেখতে পেয়েছে, অ্যাপাচি ভূপাতিত হওয়ার দিন সোহার বন্দরের কাছে ছোট একটি এলাকায় ছয় জোড়া ট্যাংকার পাশাপাশি অবস্থান করছিল।

তবে ওই অভিযানে অ্যাপাচির নির্দিষ্ট ভূমিকা কী ছিল, তা রয়টার্স নিশ্চিত করতে পারেনি। রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, অফশোর ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তর কার্যক্রমে সেন্ট্রাল কমান্ডের কোনো বাহিনী অংশ নিচ্ছে না। মার্কিন কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হেলিকপ্টারের দুই ক্রু সদস্যকে একটি ড্রোন নৌযান উদ্ধার করে।

এই ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ স্থানান্তরের ব্যাপ্তি, এর কার্যপ্রণালি ও অ্যাপাচির সম্ভাব্য ভূমিকা নিয়ে এর আগে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি। হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে প্রশ্ন সেন্টকমের কাছে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে, স্থানান্তর কার্যক্রম নিয়ে মন্তব্যের অনুরোধে ইরান সরকার কোনো জবাব দেয়নি।

যে দুটি স্থানে এই স্থানান্তর হচ্ছে, সেগুলো হরমুজ প্রণালির বহির্গমনমুখী ওমান উপসাগর এলাকায় এবং ইরানের নতুন সংস্থা ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ নির্ধারিত সীমার কাছাকাছি অবস্থিত। হরমুজ প্রণালির ব্যবস্থাপনা তদারকির জন্য এই সংস্থা গঠন করা হয়েছে। ইরানের নির্দেশ না মানা জাহাজগুলোর ওপর ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ড্রোন বা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে পারে।

এই মার্কিন নেতৃত্বাধীন কার্যক্রম চলাকালে ফুজাইরাহ বন্দরও একাধিকবার ইরানের হামলার মুখে পড়েছে। গত সপ্তাহান্তে ব্রিটিশ সামুদ্রিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান ভ্যানগার্ড জানিয়েছে, ওমান উপকূলের কাছে একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত উৎসের প্রজেক্টাইল’ বা ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এক বিবৃতিতে তারা জানায়, জাহাজের ক্রুরা নিরাপদ ছিলেন এবং আঘাতে কিছু তেল বেরিয়ে গেলেও পরিবেশগত ক্ষতি হয়নি। তবে আক্রান্ত ট্যাংকারটি ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তর অভিযানের অংশ ছিল কি না, তা উল্লেখ করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রতিক্রিয়ায় ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। সাধারণ সময়ে বিশ্বের মোট তেল ব্যবহারের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এর ফলে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ ও অদক্ষ হলেও এই ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ স্থানান্তর কার্যক্রমকে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে স্বাভাবিক তেল সরবরাহ পুনরুদ্ধারে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, এ সপ্তাহে ঘোষিত ইরানের সঙ্গে কাঠামোগত শান্তিচুক্তির আওতায় আগামী শুক্রবার হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে চুক্তির বিস্তারিত এখনো অস্পষ্ট। ঘোষিত চুক্তি এই তেল স্থানান্তর কার্যক্রমে কোনো প্রভাব ফেলেছে কি না, তা রয়টার্স নির্ধারণ করতে পারেনি।

গত ২০ মে প্রকাশিত রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে বলা হয়েছিল, প্রণালির বিপরীত দিকে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে ইরান নিজস্ব একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। এতে দ্বীপভিত্তিক চেক পয়েন্ট, কূটনৈতিক সমঝোতা ও কিছু ক্ষেত্রে ফি আদায়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অভিযানের সঙ্গে জড়িত আটটি সূত্র জানিয়েছে, পুরো মার্কিন তেল স্থানান্তর কার্যক্রম যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। এসব সূত্রের মধ্যে স্থানান্তর কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এক বেসরকারি নিরাপত্তা ঠিকাদারও রয়েছেন। ট্যাংকারগুলোকে প্রণালিতে প্রবেশের আগে একটি নির্ধারিত মিলনস্থলে যেতে হয়। এরপর নির্দিষ্ট বিরতিতে যাত্রা শুরু করতে হয়, যাতে প্রতিটি জাহাজের মধ্যে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মিটার দূরত্ব থাকে। এক সূত্র ও স্যাটেলাইট চিত্র থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে। চারটি সূত্র জানিয়েছে, এ সময় জাহাজগুলোর ট্রান্সপন্ডার বন্ধ রাখা হয় এবং আলো কমিয়ে দেওয়া হয়।

একাধিক নির্ধারিত ওয়েপয়েন্টের মাধ্যমে মার্কিন সামরিক বাহিনী নির্দিষ্ট ট্যাংকারগুলোর অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে। সূত্রগুলোর একজনের ভাষায়, ‘আমেরিকানরা স্পষ্টতই সব সময় আপনাকে নজরদারিতে রাখছে।’

জাহাজগুলো যখন প্রণালি অতিক্রম করে ইরান ঘোষিত নিয়ন্ত্রণসীমার ঠিক বাইরে পৌঁছায়, তখন তারা অপেক্ষমাণ গ্রহণকারী জাহাজগুলোর পাশে গিয়ে ভিড়ে। এসব গ্রহণকারী জাহাজ মূলত ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার (ভিএলসিসি)। এরপর শুরু হয় তেল স্থানান্তর। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ২৪ থেকে ৪০ ঘণ্টা সময় লাগে। খালি হয়ে যাওয়া ট্যাংকারগুলো আবার প্রণালি পেরিয়ে ফিরে আসে এবং নতুন করে বোঝাই হওয়া ভিএলসিসিগুলো গন্তব্যে রওনা হয়।

এই ‘জাহাজ-থেকে-জাহাজে’ স্থানান্তর সম্ভব হচ্ছে মূলত এমন কিছু শিপিং প্রতিষ্ঠানের কারণে, যারা ইরানের অবরোধের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও প্রণালি পেরিয়ে অপেক্ষমাণ ট্যাংকারগুলোর কাছে তেল পৌঁছে দিতে রাজি হয়েছে। তবে পুরো কার্যক্রমই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সামুদ্রিক ঝুঁকি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ও ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো নোম রেইডান, যিনি রয়টার্সের অনুসন্ধান পর্যালোচনা করেছেন; তিনি বলেন, ‘আপনি কখনোই নিশ্চিত হতে পারবেন না, কখন ইরান ড্রোন বা এমনকি গানবোট ব্যবহার করে ওই জাহাজগুলোকে প্রণালি পার হওয়া ঠেকানোর সিদ্ধান্ত নেবে।’

ইরান বহু বছর ধরে নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে যেতে ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তরের কৌশল ব্যবহার করে আসছে। কারণ, এই পদ্ধতিতে তেলের প্রকৃত উৎস আড়াল করা যায়। সাধারণত ইরান একবারে এক জোড়া জাহাজ ব্যবহার করত, যাতে শনাক্ত হওয়ার ঝুঁকি কম থাকে এবং যুদ্ধের আগে তাদের রপ্তানির পরিমাণও তুলনামূলকভাবে সীমিত ছিল। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন এই কার্যক্রমে একসঙ্গে বিপুল পরিমাণ স্থানান্তর করা হচ্ছে, যা উপসাগরীয় উৎপাদকদের ইরানের সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে তুলনামূলক বেশি সুরক্ষা দেয়। এর ফলে তারা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে অপরিশোধিত তেল, কনডেনসেট ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য পাঠাতে পারছে।

রয়টার্স ২ মে থেকে ১১ জুনের মধ্যে তোলা এক ডজনের বেশি স্যাটেলাইট ছবি পর্যালোচনা করেছে। এসব ছবিতে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন উপসাগরীয় ট্যাংকার বহর ও আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত যেসব জাহাজ তেল নিয়েছে, তাদের মধ্যে ‘জাহাজ থেকে জাহাজে’ তেল স্থানান্তরের দৃশ্য দেখা গেছে। রয়টার্স আরও এলএসইজি ও কেপলারের শিপিং তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখেছে, একই সময়ে ওই এলাকায় ট্যাংকারগুলোর মধ্যে একাধিকবার নির্ধারিত সাক্ষাৎ ও স্থানান্তর হয়েছে। চিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে রয়টার্স হিসাব করেছে, মে মাসের শুরু থেকে এই উপকূলের বাইরে গড়ে ওঠা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে অন্তত ৯ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল ও পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য স্থানান্তরিত হয়ে থাকতে পারে। এই হিসাব করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট ট্যাংকারগুলোর বহনক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে। তবে এই পরিমাণ এখনো যুদ্ধপূর্ব সময়ের দৈনিক গড় প্রায় ২ কোটি ব্যারেল, যা প্রণালিটি দিয়ে যেত, তার তুলনায় অনেক কম।

গত শুক্রবার এক নোটে থিংকট্যাংক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের প্রেসিডেন্ট মাইকেল ফ্রমান বলেন, পুরোনো নিয়মগুলো দুর্বল হয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে একধরনের বিদ্রূপ তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন চীন, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এমনকি ইরানের ব্যবহৃত কৌশল থেকে শিক্ষা নিচ্ছে। তাদের তথাকথিত ‘ডার্ক ফ্লিট’ মূলত এসব পদ্ধতির পথিকৃৎ ছিল আর সেই কৌশল তৈরি হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর জন্য।

এই কার্যক্রম সম্পর্কে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রয়েছে-এমন ছয়টি সূত্র জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র অংশগ্রহণকারী জাহাজগুলোকে সরাসরি নৌ সামরিক নিরাপত্তা না দিয়ে আকাশপথে নজরদারি, বিধিনিষেধ-অনুগত্য যাচাই এবং পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সহায়তা দিয়েছে। রয়টার্স এমন কোনো প্রমাণ পায়নি যে তেল স্থানান্তরের কাজে মার্কিন সামরিক সদস্যরা সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

শিপিং রেকর্ড পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এই কার্যক্রমের গ্রহণকারী অংশে আন্তর্জাতিক ট্যাংকার অপারেটরদের আধিপত্য রয়েছে। এর মধ্যে গ্রিসভিত্তিক ডাইনাকম ট্যাংকারস ম্যানেজমেন্ট যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কীভাবে সৃজনশীল উপায়ে প্রণালির মধ্য দিয়ে তেল পরিবহন করা যায়, সে বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছে। ১ জুন এথেন্সে আয়োজিত ক্যাপিটাল লিংক শিপিং সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জর্জ প্রোকোপিউ বলেন, নৌ চলাচলের স্বাধীনতা অত্যাবশ্যক এবং কেউ এর ওপর টোল বা অন্য কোনো বোঝা চাপিয়ে দিতে পারে না। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সেবা দিতে এখানে আছি এবং প্রাচীনকাল থেকেই অবরোধ ভাঙার ঐতিহ্য রয়েছে গ্রিসের। আমি এর বেশি বিস্তারিত বলতে চাই না, তবে ইঙ্গিতগুলো বোঝার জন্য যথেষ্ট বলে মনে করি।’

খবর : রয়টার্স

Tags: International
প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

ইরান চুক্তিতে বেকায়দায় নেতানিয়াহু

Next Post

ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ

আরো খবর

ওয়াশিংটনের ভয়াবহ দাবানলে ৬০০ স্থাপনা পুড়ে ছাই
আমেরিকা

ওয়াশিংটনের ভয়াবহ দাবানলে ৬০০ স্থাপনা পুড়ে ছাই

ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে কেন চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব?
আমেরিকা

ইরান যুদ্ধ থামাতে ট্রাম্পকে কেন চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব?

ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প
আমেরিকা

ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প

Next Post
ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ

ম্যাচ শুরুর আগে আর্জেন্টিনা-আলজেরিয়া সমর্থকদের তুমুল সংঘর্ষ

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

শুটিংয়ে গুরুতর আহত রাশমিকা

শুটিংয়ে গুরুতর আহত রাশমিকা

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা, প্রথম দেশ হিসেবে সমর্থন তুলে নিল ওয়েলস

ইনফান্তিনোর নেতৃত্বে অনাস্থা, প্রথম দেশ হিসেবে সমর্থন তুলে নিল ওয়েলস

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ ফসফরাস বোমা হামলা

লেবাননে ইসরায়েলের ভয়াবহ ফসফরাস বোমা হামলা

তিন ছেলে হারানোর পর জন্মেছিল জায়েদ, তাকেও বাঁচতে দিল না ইসরাইল

তিন ছেলে হারানোর পর জন্মেছিল জায়েদ, তাকেও বাঁচতে দিল না ইসরাইল

ওয়াশিংটনের ভয়াবহ দাবানলে ৬০০ স্থাপনা পুড়ে ছাই

ওয়াশিংটনের ভয়াবহ দাবানলে ৬০০ স্থাপনা পুড়ে ছাই

❑ আর্কাইভ অনুসন্ধান

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১
২৩৪৫৬৭৮
৯১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
  • আমেরিকা
  • ইউরোপ
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • এশিয়া
  • আফ্রিকা
  • খবর
  • প্রতিবেদন
  • ভিডিও
  • লাইফস্টাইল
  • সাক্ষাৎকার
Chief Editor ~ Harunur Rashid
USBENGAL MULTIMEDIA INC
294 GRANADA BLVD FORT MYERS, FL 33905
 USA  +1 (929) 679-9116

Copyright © 2024 USBENGAL All right reserved. Developed USBENGAL IT TEAM. Support by WEBSBD.NET

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • হোম
  • খবর
  • প্রতিবেদন
  • আমেরিকা
  • ইউরোপ
  • মধ্যপ্রাচ্য
  • এশিয়া
  • আফ্রিকা
  • লাইফস্টাইল
  • ভিডিও
  • ➘
    • খেলা
    • বিনোদন
    • অন্যান্য
  • সাক্ষাৎকার

Copyright © 2024 USBENGAL All right reserved. Developed USBENGAL IT TEAM. Support by WEBSBD.NET