ডেস্ক রিপোর্ট: দেশজুড়ে হঠাৎ একসঙ্গে মোবাইল ফোনে বেজে ওঠা তীব্র অ্যালার্ট সাউন্ড, ঘটনাটি অনেকের কাছেই কিছুটা আতঙ্কজনক। তবে বিষয়টি কোনো জরুরি বিপদের সংকেত নয়, বরং পরিকল্পিত একটি প্রযুক্তিগত পরীক্ষা।
ভারতের সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, শনিবার সকালে দেশজুড়ে ‘জরুরি দুর্যোগ সতর্কতা’ ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক সম্প্রচার চালানো হয়। এর অংশ হিসেবে ব্যবহারকারীদের ফোনে ‘জরুরি দুর্যোগ সতর্কতা’ শিরোনামে একটি বার্তা পৌঁছে যায়।
বার্তাটিতে জানানো হয়, নাগরিকদের জন্য তাৎক্ষণিক দুর্যোগ সতর্কতা সেবা চালুর লক্ষ্যে সরকার নিজস্ব প্রযুক্তিতে ‘সেল ব্রডকাস্ট’ চালু করেছে। পাশাপাশি এটিও স্পষ্ট করে বলা হয়, এটি শুধুমাত্র একটি পরীক্ষামূলক বার্তা, তাই কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।
এ বিষয়ে ভারতের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ নাগরিকদের আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছে, ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত ও নির্ভুল তথ্য পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতা যাচাই করতেই এই পরীক্ষা চালানো হচ্ছে।
সরকার আরও জানায়, সারা দেশে ধাপে ধাপে এই সেল ব্রডকাস্ট (সিবি) সেবা চালুর আগে এর কার্যকারিতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে এমন পরীক্ষা চলবে। এ সময় ইংরেজি, হিন্দি এবং বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় একাধিকবার বার্তা পাঠানো হতে পারে।
আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে, ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের সুপারিশে তৈরি ‘কমন অ্যালার্টিং প্রোটোকল’ ব্যবস্থার ভিত্তিতেই এই প্রযুক্তি গড়ে তোলা হয়েছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে ভারতের টেলিকমিউনিকেশন বিভাগ ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ একসঙ্গে কাজ করছে। এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেও একই ধরনের একটি পরীক্ষামূলক অ্যালার্ট পাঠানো হয়েছিল, যেখানে আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা জোরালো অ্যালার্ট সাউন্ডসহ ‘টেস্ট অ্যালার্ট’ বার্তা পেয়েছিলেন।
এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতেও একই ধরনের একটি পরীক্ষামূলক অ্যালার্ট সারা দেশে পাঠানো হয়েছিল। তখন আইফোন ও অ্যানড্রয়েড ব্যবহারকারীরা টেস্ট অ্যালার্ট শিরোনামে বার্তা ও জোরালো অ্যালার্ট সাউন্ড পেয়েছিলেন। নাগরিকদের এসব পরীক্ষামূলক বার্তা পেলে আতঙ্কিত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ভারত সরকার।
প্রিন্ট করুন




















Discussion about this post