ডেস্ক রিপোর্ট: ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিতব্য ট্রাম্প–জেলেনস্কি বৈঠকে এবার আরও দৃশ্যমান ভূমিকা নিতে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ইউক্রেন ইস্যুতে যুক্তরাজ্য ও অন্যান্য ইউরোপীয় দেশগুলো আগের আলাস্কা বৈঠকের তুলনায় এবার অনেক বেশি উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পেরেছে—যা তাদের জন্য কূটনৈতিকভাবে একটি স্বস্তির খবর।
রোববার (১৭ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকটি হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে। তবে কিয়ার স্টারমারসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারা আশা করছেন, তাদের উপস্থিতি এক শক্তিশালী বার্তা দেবে—যে ইউক্রেনের পেছনে ইউরোপ দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছে।
ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্প–জেলেনস্কি বৈঠকের দৃশ্য যুক্তরাজ্যে কিয়ার স্টারমারের জন্য বেশ কঠিন ছিল। এরপর থেকেই তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে ঘনিষ্ঠভাবে সমর্থন জানিয়ে আসছেন এবং ট্রাম্প নেতৃত্বাধীন হোয়াইট হাউসে জেলেনস্কিকে কূটনৈতিকভাবে পথ দেখানোর চেষ্টা করছেন।
তবে এটি কেবল প্রতীকী উপস্থিতি নয়। স্টারমার গত কয়েক মাসে ট্রাম্পের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে মনোযোগী ছিলেন। ফেব্রুয়ারিতে তার ওয়াশিংটন সফর ছিল সৌহার্দ্যপূর্ণ, আর ট্রাম্পের সাম্প্রতিক স্কটল্যান্ড সফরও তাই।
ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার স্টাবের পাশাপাশি স্টারমারকেই বর্তমানে ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে ট্রাম্পের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ডাউনিং স্ট্রিটে বিশ্বাস করা হচ্ছে, এমন বৈঠকে স্টারমারের উপস্থিতি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে এবং তিনি ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মধ্যে সেতুবন্ধনকারী হয়ে উঠতে পারেন।