ডেস্ক রিপোর্ট: মধ্যপ্রাচ্যে আবারও যুদ্ধের রক্তচক্ষু। দীর্ঘদিনের প্রক্সি যুদ্ধ এবং কূটনীতির দেয়াল ভেঙে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এখন মুখোমুখি সামরিক সংঘাতে। কিন্তু হঠাৎ কেন এত উত্তপ্ত হয়ে উঠলো দুই দেশের সম্পর্ক? মূল কারণগুলো জেনে নেওয়া যাক।
প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি। ২০১৫ সালের পরমাণু সমঝোতা চুক্তি ভেস্তে যাওয়ার পর ইরান দ্রুত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ৬০ শতাংশের উপরে নিয়ে যায়। পেন্টাগনের দাবি—ইরান খুব দ্রুত পারমাণবিক বোমা তৈরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে, যাকে ওয়াশিংটন নিজেদের নিরাপত্তার জন্য লাল দাগ বা ‘রেড লাইন’ মনে করে।
দ্বিতীয়ত, বৈশ্বিক তেলের রুট বা হরমুজ প্রণালী। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল এই একটি মাত্র সরু নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই অঞ্চলে বাণিজ্যিক ট্যাঙ্কারে হামলা এবং নৌপথ অবরুদ্ধ করার ইরানি চেষ্টার জবাবে মার্কিন ৫ম নৌবহর সরাসরি অভিযানে নামে।
তৃতীয়ত, সরাসরি সামরিক অভিযান। আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর ধারাবাহিক ড্রোন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ শুরু করে। ইরানের মূল ভূখণ্ডের সামরিক ঘাঁটি ও শীর্ষ নেতাদের লক্ষ্য করে এ হামলা যুদ্ধকে সর্বাত্মক রূপ দেয়।
সাময়িক যুদ্ধবিরতির চেষ্টা করা হলেও তা স্থায়ী হয়নি। ফলে এই সংঘাত কেবল মধ্যপ্রাচ্যে সীমাবদ্ধ নেই, প্রভাব ফেলছে পুরো বিশ্ব অর্থনীতিতে।