ডেস্ক রিপোর্ট: শূন্য থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার কোটি ডলার! কিন্তু কীভাবে একজন সাধারণ মানুষ পৃথিবীর ইতিহাসের প্রথম ট্রিলিয়নেয়ার হয়ে উঠলেন? কোন ম্যাজিকে তৈরি হলো এই বিপুল সাম্রাজ্য?
মাস্কের এই যাত্রা কিন্তু রাতারাতি হয়নি। ১৯৯০-এর দশকে কোডিং দিয়ে শুরু করে তিনি তৈরি করেন এক্স ডট কম, যা পরবর্তীতে পেপ্যাল (PayPal) নামে পরিচিত হয়। ২০০২ সালে পেপ্যাল বিক্রি করে তিনি পান ১৭ কোটি ডলার। আর সেই পুরো টাকাটাই তিনি বাজি ধরেন তার পরবর্তী পাগলাটে প্রজেক্টগুলোতে!
২০০৮ সালে তিনি দায়িত্ব নেন ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা (Tesla)-র। যেখানে পুরো বিশ্ব ভেবেছিল ইলেকট্রিক গাড়ি ফ্লপ হবে, সেখানে মাস্ক পুরো অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রি বদলে দেন। ২০২০ সালের পর টেসলার শেয়ারের দাম হু হু করে বাড়লে মাস্ক প্রথমবার বিশ্বের শীর্ষ ধনী হন।
তবে তাকে ট্রিলিয়নেয়ার বানানোর চূড়ান্ত ধাক্কাটা দিয়েছে তার রকেট কোম্পানি ‘স্পেসএক্স’ (SpaceX)। ২০২৬ সালের জুনে শেয়ার বাজারে স্পেসএক্সের ঐতিহাসিক অভিষেকের পর কোম্পানির ভ্যালুয়েশন ২ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যায়। আর এতেই মাস্কের নিজের সম্পদ ১.১ ট্রিলিয়ন ডলার পার করে! টেসলা ও স্পেসএক্স ছাড়াও নিউরালিংক এবং এক্স (টুইটার) রয়েছে তার ঝুলিতে।