ডেস্ক রিপোর্ট: ফ্রান্সে দুটি সরকারি ছুটি বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে দেশজুড়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ফ্রাঁসোয়া বাইরু এ ইস্যুতে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর সংসদে আস্থা ভোট ডাক দিয়েছেন।
বাজেট ঘাটতি কমাতে সরকারের পক্ষ থেকে আনা পরিকল্পনায় ছুটি বাদ দেওয়ার বিষয়টি সাধারণ মানুষ ও শ্রমিক সংগঠনগুলো ক্ষোভের সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিরোধী দলও সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছে।
এরই মধ্যে রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে আর্থিক খাতে। আস্থা ভোটের শঙ্কায় (২৬ আগস্ট) মঙ্গলবার ফরাসি শেয়ারবাজারে ধস নামে। সরকারি বন্ডের সুদের হার কয়েক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, আস্থা ভোটে সরকার টিকে থাকতে না পারলে ফ্রান্সে নতুন রাজনৈতিক সংকট তৈরি হবে।
অন্যদিকে চলমান সংকটের মধ্যেই ফ্রান্সের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কেও উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।
ফ্রান্সে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত চার্লস কুশনার প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর ইহুদি-বিরোধিতা মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করেন।
এ ঘটনার পর ফরাসি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রদূতকে তলব করলেও তিনি হাজির হননি। ফরাসি সরকার এটিকে অগ্রহণযোগ্য হস্তক্ষেপ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে এবং স্পষ্ট করে বলেছে, এ বিষয়ে তাদের যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ‘কোনো শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন নেই।’

Discussion about this post