ডেস্ক রিপোর্ট: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের বিরুদ্ধে ওমানের উপকূলীয় জলসীমা ব্যবহার করে তেল ‘পাচারের’ অভিযোগ তুলেছেন ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহসেন রেজায়ি। এ কাজে ‘গুণ্ডাদের’ নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সামরিক বাহিনী ও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধানও জড়িত বলে দাবি করেছেন তিনি।
রোববার (১১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইরানি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএর প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব রেজায়ি বলেন, ট্রাম্প প্রতিদিন দাবি করছেন হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত। এর জবাবে তিনি বলেন, ‘আপনারা তেল পাচার করছেন। কিন্তু প্রণালিটি ইরানের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আমরাই এটি পরিচালনা করি।’
রেজায়ির দাবি, এ কার্যক্রমে কয়েকটি ছোট নৌযান ব্যবহার করে তেল বড় ট্যাংকারে স্থানান্তর করা হয়। ইরান প্রতি রাতেই এসব নৌযানকে লক্ষ্যবস্তু করে বলেও দাবি করেন তিনি।
এদিকে বহিরাগত হুমকি, রাজনৈতিক চাপ কিংবা সামরিক হামলা চালিয়েও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির অগ্রযাত্রা থামানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির আণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ এসলামি।
ইরানের পারমাণবিক প্রযুক্তির অগ্রগতিকে দেশটির বিজ্ঞানী ও গবেষকদের দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় অর্জিত জাতীয় সাফল্য হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। একই সঙ্গে বিদেশি শক্তিগুলোর অতিরিক্ত দাবিও প্রত্যাখ্যান করেন এসলামি।
আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি। এসলামির দাবি, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার হুমকি দিয়ে ওয়াশিংটন দেশটির প্রযুক্তিগত অগ্রগতি ঠেকাতে নিজেদের অক্ষমতাই প্রকাশ করছে।
খবর : আলজাজিরা