ডেস্ক রিপোর্ট: ইরান যুদ্ধ এখন তৃতীয় মাসে প্রবেশ করেছে। এই যুদ্ধ আর কত দিন চলবে, তা ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।
১. সংকটের তিন মাস ও অনিশ্চয়তা:
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এখন তৃতীয় মাসে। একসময় মনে হয়েছিল ওয়াশিংটন ও তেহরান বড় সংঘাত এড়াতে চায়, কিন্তু ইসলামাবাদের বৈঠকের পর সেই শান্তি প্রক্রিয়া এখন স্থবির। পাকিস্তানের মধ্যস্থতা চললেও সমাধান মিলছে না।
২. ট্রাম্পের দোদুল্যমান নীতি:
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কখনো সামরিক হামলার হুমকি দিচ্ছেন, আবার কখনো আলোচনার কথা বলছেন। হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করেছে। ইরান ধ্বংসের মুখে—ট্রাম্পের এমন দাবি তেহরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।
৩. ইরানের পাল্টা কৌশল:
ইরান দেখিয়েছে তারা চাপের মুখেও ‘অসম যুদ্ধ’ চালিয়ে যেতে সক্ষম। হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তারা বিশ্ব অর্থনীতি ও যুক্তরাষ্ট্রের ওপর বড় ধরনের ব্যয় চাপিয়ে দিয়েছে।
৪. কে বেশি লাভবান?
দুই পক্ষই এখন নমনীয় হতে নারাজ। ট্রাম্প মনে করেন অবরোধ ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করবে। অন্যদিকে, বিশ্লেষকরা বলছেন দীর্ঘ সংঘাত ইরানের পক্ষেই যেতে পারে, কারণ জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ট্রাম্পের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে।
৫. প্রভাব ও ভবিষ্যৎ:
এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম আকাশচুম্বী। যুক্তরাষ্ট্রেও বাড়ছে মুদ্রাস্ফীতি, যা ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ধস নামিয়েছে।
ইতিহাস বলে—যুদ্ধ শুরু করা সহজ, কিন্তু শেষ করা কঠিন। এই সংকটে কোনো পক্ষই পিছু হটতে রাজি নয়, আর এর মূল্য দিচ্ছে পুরো বিশ্ব।